Nationalnews.Video  

 

 
   

Facebook LikeBox  

   

বাংলা পত্রিকা  

 

 Advertise

Add

 

 

Walton At Every Home

Advertise

Advertise


Our Services

Web Design & Development
Application Development
Software Development
Search Engine Optimization
Social Media Marketing
CCTV Camera Sequirirty Sstem
Data Networking
Graphic Design
Domain & Hosting
Architect Design Engineering
email & SMS Marketing
Computer Sales(Corporate)

IT Taining Program

Outsourcing Training

Feni Office:
Shah Alam Tower,5th floor,Bloc-#C,Opposite by Islampur Road,S.S.K Road Feni,Bangladesh
 
Mobile:+88-01817711619, +
info@twoinsoft.com

 web:www.twoinsoft.com


 

websbd.net

   
Today134
Yesterday234
Total148054

Wednesday, 20 August 2014 16:31

Who Is Online

Guests : 3 guests online Members : No members online
   

প্রচ্ছদ

আগামী নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া যাচ্ছেন

Details

আগামী নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া যাচ্ছেন

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ওই সময় শেখ হাসিনার কুয়ালালামপুর সফরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে সফররত মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রায়ট আনাক জায়েম মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে সাক্ষাকালে এ বিষয়ে আলোচন হায়েছে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। বৈঠকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী ও মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার নরলিন বিনতে ওসমান অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি জনশক্তি নিয়োগের সিদ্ধান্তের জন্য মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের বৈধতা দেয়ার জন্যও দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সাক্ষাতকালে শেখ হাসিনা এ ধন্যবাদের কথা জানান। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী বলেন, বৈঠকে পারস্পরিক বিষয় বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রমী, বিশ্বস্ত ও কর্তব্যনিষ্ঠ হওয়ায় উভয় দেশের অর্থনীতির জন্য তা কল্যাণকর হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশী শ্রমিকরা দুদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, তার সরকার প্লানটেশন খাত ছাড়াও সরকারি উদ্যোগের আওতায় (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) অবকাঠামো, সেবা ও উৎপাদন খাতে বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগ করবে।
মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশের ভাল বন্ধু হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো জোরদার হবে। বৈঠকে শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মালয়েশিয়া সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, ওই সময় (বঙ্গবন্ধুর সফর) থেকে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের মধ্যকার সম্পর্ক উত্তরোত্তর সুসংহত হচ্ছে।

অসুস্থতার কারণ সমাবেশে যাননি খালেদা জিয়া

Details

অসুস্থতার কারণ সমাবেশে যাননি খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: শারীরীক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে যাননি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এ সমাবেশেরে আয়েঅজন করেছিল। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি এ সমাবেশে যোগ দেননি। 
এ প্রসঙ্গে সমাবেশের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সমাবেশে উপস্থিত হতে পারেননি। এ জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন। 

এদিকে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা বাতিলের দাবিতে পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৩ টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। এর পর পরই এ সমাবেশে হানা দেয় বৃষ্টি। সমাবেশে শুরুতেই কোরআন তেলাওয়াত করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালেক। এ সময় মঞ্চে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি ও জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

সমাবেশ শুরুর পরপরই আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এ বৃষ্টি উপক্ষো করেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হয়েছিলেন জোটের নেতকর্মীরা। আকাশে কালো মেঘ দেখা দেয়ায় বৃষ্টির আশঙ্কায় আগেভাগেই সমাবেশে আসা দলীয় নেতাকর্মীরা উদ্যানের আশেপাশে বিভিন্ন গাছের নিচে আশ্রয় নেন। এরপর প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হলে ছন্দপতন ঘটে সমাবেশের। অবশ্য বৃষ্টির মধ্যেও বক্তব্য রাখেন জোট নেতারা।
এর আগে দুপুর ১২ টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মহানগর বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদা মিছিল নিয়ে উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস। সভাটি পরিচালনা করেন সদস্য সচিব হাবিবউন নবী খান সোহেল।

মগবাজারে বোমা মেরে ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই!

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: রাজধানীর মগবাজারের দিলু রোডে বাসার সামনে বোমা মেরে আবুল কাশেম নামে এক ব্যবসায়ীর ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ব্যবসায়ী আবুল কাশেম জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় একদল ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে। এবং তার কাছে থাকা টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ সময় তিনি তাদেরকে বাধা দিলে তাকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে বোমা বিস্ফোরণ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা। বোমার আঘাতে আহত হন তিনি।

এ ব্যাপারে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো.ইকবাল বলেন, দিলু রোডের ব্যবসায়ী আবুল কাশেম তার ১০-১২ জন কর্মচারীকে ব্যাংক থেকে টাকা আনতে পাঠান। কর্মচারীরা মগবাজারে এনসিসি ব্যাংকের শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা তুলে অফিসে যাচ্ছিলেন। টাকা নিয়ে তারা মগবাজার মোড়ে পৌঁছালে ছিনতাইকারীরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ওই টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় 
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি নাটক না কি সত্য সে ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ। আহত ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে ঢাকার ৭০ হাজার ভবন!

Details

৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে ঢাকার ৭০ হাজার ভবন!

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: মাত্র ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে রাজধানী ঢাকার ৭০ হাজার ভবন। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় যদি রিখটার স্কেলে ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তাহলে নগরীর সাড়ে ৩ লাখ ভবনের মধ্যে কমপক্ষে ৭০ হাজার ধসে পড়বে। সোমাবার রাজধানীর একটি হোটেলে ভূমিকম্পের প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। উদ্ধার ও পুনর্গঠনে বিষয়ে সহায়তার লক্ষে বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ও সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর প্যাসিফিক কমান্ড যৌথভাবে চতুর্থ বার্ষিক ‘ডিজ্যাস্টার রেসপন্স এক্সারসাইজ এন্ড এক্সচেঞ্জ ২০১৪’ (ডিআরইই) আয়োজন করে।

বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজীর কম্যান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল এম সিদ্দিকুর রহমান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চারদিন ব্যাপি এ বার্ষিক ডিআরইই-এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহ-উল আলম এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অপারেশন এন্ড প্লানিং পরিদপ্তরের প্রধান সাইদ খান।

সাংসদ মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে ইসলামী ব্যাংকের শোক

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের স্পন্সর ও সাবেক ডাইরেক্টর এবং সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুজ জাহের ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আবদুল মান্নান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখাসমূহে তার রুহের মাগফেরাতের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।
শোক বার্তায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। ব্যাংকের আজকের সুদৃঢ় অবস্থানের পেছনে তার মতো ব্যক্তিত্বের অবদান অনস্বীকার্য। তার কর্মময় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি সর্বাগ্রে বিবেচিত হতো। আমরা তার অনুপস্থিতি গভীরভাবে অনুভব করব। 
শোক বার্তায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পেছনে মরহুম মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের অবদান শুধু ইসলামী ব্যাংক পরিবারেই নয় বরং সমগ্র জাতির হৃদয়ে চির অম্লান হয়ে থাকবে। ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার ফসল। জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স আহরণ করে দেশের শিল্প-বাণিজ্য প্রসারে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। 
মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ১৯৮৩ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের ডাইরেক্টর ছিলেন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ব্যাংকের কমার্শিয়াল অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান এবং ২০০০ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

ঢাবিতে জাতীয় ক্যাম্পাস প্রযুক্তি উৎসব ১৪-১৫ সেপ্টেম্বর

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: বর্তমানে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম উপকরণে পরিণত হয়েছে। ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। এ গুরুত্ব উপলব্ধি করে বর্তমান সরকার টেলিযোগাযোগ ও আইসিটির উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ছড়িয়ে দিতেও আমরা বদ্ধ পরিকর। সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে মিলনায়তনে আয়োজিত তৃতীয় জাতীয় ক্যাম্পাস প্রযুক্তি উৎসব-২০১৪ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি (ডিইউআইটিএস)।

এ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহে যুক্ত হয়ে ক্রমেই উজ্জ্বল সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর এই এগিয়ে যাওয়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। এই অগ্রযাত্রাকে আরো সুদৃঢ় করতে এবং জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিমন্ত্রী বলেন,ডিইউআইটিএসের বছরজুড়ে নানা কার্যক্রমের মধ্যে সবচেয়ে বড় আয়োজন জাতীয় ক্যাম্পাস প্রযুক্তি উৎসব। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আইসিটি ভাবনা যেমন বিনিময় হয় তেমনি তারা অনুপ্রাণিত হয় নিত্যনতুন আবিস্কারে। এ উৎসবে সারা দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রযুক্তিপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। 

তিনি বলেন, গত দুই বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আগামী  ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে রবি ও সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুদিনব্যাপী ‘তৃতীয় জাতীয় ক্যাম্পাস প্রযুক্তি উৎসব’। অংশগ্রহণকারীর দিক দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় এই ক্যাম্পাস প্রযুক্তি উৎসবটি এবার ডিইউআইটিএসের সঙ্গে যৌথউদ্যোগে করতে যাচ্ছে সরকারের আইসিটি বিভাগ। এ সময় এক ছাত্রনেতার দাবির প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী পলক আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে মধুর ক্যান্টিনে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে সারা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি বিভাগের তরফ থেকে ন্যূনতম ১ জিবিপিএস ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের আশ্বাস দেন। 

সম্মেলনে উৎসবের আহবায়ক এবং ডিইউআইটিএসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল­াহ আল ইমরান জানান, উৎসবের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও উন্নত শিক্ষায় চাই তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ক্যাম্পাস। এ উৎসবে অংশ নেবেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজের প্রায় ১৫০০ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রযুক্তিপ্রেমী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট মিলনায়তনে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ১১টায় এ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। 

বক্তারা আরো জানান, টিএসসি চত্ত্বরে আয়োজিত উৎসবের মূল পর্বে থাকছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রকল্প প্রদর্শন, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, গেমিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা, ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালা, আউটসোর্সিং ও উদ্যোক্তা সম্মেলন, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর বিতর্ক ও বিজনেস আইডিয়া প্রতিযোগিতা ছাড়াও নানা আয়োজন। উৎসবে মোট ২টি সেমিনার, ১টি কর্মশালা ও একটি আলোচনা পর্ব থাকছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে প্রযুক্তি নির্ভর ক্যাম্পাস গড়তে প্রস্তাবনাও রাখবেন তরুণ মুখপাত্ররা। 

সম্মেলনের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির নতুন পরিচালক হিসেবে ডিইউআইটিএসের উপদেষ্টা ড. মুহাইমেন-আস-সাকিব দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান এবং ক্রেস্ট তুলে দেন জুনাইদ আহমেদ পলক। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্টপোষক এলএম এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ ইনফরমেশন অফিসার ভিপুল জেইন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব আইসিটি সেলস আল বাতুনি এম সৈয়দ আহমেদ, ইল্যান্স-ওডেস্কের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান, ডিইউআইটিএস সাধারণ সম্পাদক আরিফ দেওয়ান এবং প্রচার সম্পাদক সানজিদা পারভীন বিন্তি। এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল­া ও সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী টিএসসি সাইবার সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত সেন্টারে মানসম্মত কম্পিউটার প্রদান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের আশ্বাস দেন। 

২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

Details

২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশঅনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে (জিপিআই) প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। তবে, বাংলাদেশের চেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ নেপাল ও ভুটান এগিয়ে রয়েছে।

২০১৩ সালের উপাত্ত ব্যবহার করে সম্প্রতি তৈরি জিপিআই সূচকে ১৬২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৮তম। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) তৈরি করা এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ‘মাঝারি’ ক্যাটাগরির বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আগের বছরের শান্তি-সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৫তম। ২০১২ সালে তা ছিল ৯১তম।

 

সমাজে বিদ্যমান সহিংসতা, হত্যা, মানুষের হাতে অস্ত্র, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ ২২টি বিষয় মূল্যায়ন করে ওই সূচক তৈরি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দ্বন্দ্বের সঙ্গে সম্পৃক্তি এবং সন্ত্রাসী তৎপরতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া, সহিংসতা দেশগুলোর অর্থনীতির উপর কী প্রভাব ফেলেছে তাও বিবেচনায় আনা হয়েছে।

 

সূচকে ১৪৩তম অবস্থানে রয়েছে ভারত। আর ১৫৪তম অবস্থানে থাকা পাকিস্তান শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিক থেকে খুবই খারাপ অবস্থায় বলে এতে বলা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আফগানিস্তানে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির অবস্থান ১৬১তম, যার পরেই রয়েছে সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির দেশ সিরিয়া।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ২.১০৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় স্থানে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শান্তি সূচকে সবার চেয়ে এগিয়ে ভুটান (স্কোর ১.৪২২)। দেশটির অবস্থান ১৬। এরপর আছে নেপাল, ৭৬তম স্থানে। ১৫৪তম স্থান নিয়ে সূচকে সবার চেয়ে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। সূচকে ভারত ১৪৩ আর শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১০৫। মালদ্বীপকে এ জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বৈশ্বিক শান্তিতে আইসল্যান্ড প্রথম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও অস্ট্রিয়া। সূচক অনুযায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় প্রথম দিকের অন্য দেশগুলো হলো- নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, কানাডা, জাপান, বেলজিয়াম ও নরওয়ে। সূত্র: আইআরআইবি

হজযাত্রীদের টিকা বাধ্যতামূলক

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: হজযাত্রীর সুরক্ষায় এ বছর ‘ক্রনিক’ রোগের টিকা বাধ্যতামূলক করেছে ধর্মমন্ত্রণালয়। সোমবার সচিবালয়ে ধর্মমন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব চৌধুরী মো.বাবুল হাসান। সাম্প্রতিক সমেয় সৌদি আরবে মিডল ইস্ট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোম (মার্স) ভাইরাস সংক্রমণের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি জানান।

সচিব বলেন, ‘হজ উপলক্ষে মার্স ভাইরাস প্রতিরোধে হাজিদের সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। মার্স ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার জন্য সৌদি সরকার ইতিমধ্যে আমাদের একটি চিঠি দিয়েছে। সে জন্য সভায় হজ গমনের আগে হাজিদের ২টি টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হজের সময় আমাদের হাজিরা এই ভাইরাসে যাতে আক্রান্ত না হয় সেজন্য বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শিগরিই এ প্রচারণা চালু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে আমাদের হাজিরা সৌদি আরবে গমনের আগে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সৌদিতে কোনো হাজি সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে তার কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। বাইর থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।’ এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রক) অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. এনামুল হক, হাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল কবির খান ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের পরিচালক লুৎফর রহমান সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী ও ভিসার মেয়াদ শেষেও যারা থেকে গিয়েছেন তাদের চিহ্নিত করে ডিটেনশন সেন্টারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বিশেষ ডিটেনশন সেন্টার। দিল্লি সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই ডিটেনশন সৈন্টার তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ ও জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়িতে তৈরি হবে এই ডিটেনশন সেন্টার।

সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর যে সব বাংলাদেশি থেকে  গেছেন তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর কিছু পদ্ধতিগত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলির কাছে। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিকে ছয় মাসের বেশি জেলে রয়েছে এমন বাংলাদেশির সংখ্যাও জানাতে বলা হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর যে ঘোষণা নির্বাচনের সময় বিজেপির নেতারা দিযেছিলেন সেই কাজ মোদী সরকার শুরু করে দিয়েছে। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর ধরে নিয়েই তা করা হচ্ছে খুব ধীর গতিতে। অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী চিহ্নিত করার জন্য জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যে সব রাজ্যে এই জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে সেই সব রাজ্যকেও আরেকবার তা ভালভাবে যাচাই করে দেখতে বলা হযেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে  ডিটেনশন সেন্টারে সব বাংলাদেশি বন্দীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর তাই দ্রুত ডিটেনশন সেন্টার তৈরির জন্য পূর্ত বিভাগকে তাগিদ দেওয়া হযেছে। পশ্চিমবঙ্গের জেলগুলিতে (১লা মে পর্যন্ত) ৩৩১৪ জন বাংলাদেশি বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫১ জন সাজার মেয়াদ শেষ করার পরেও জেলে থেকে গিযেছেন। তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়নি নানা আইনি জটিলতার জন্য। এছাড়া জেলে রয়েছে ৯৮৮ জন সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি এবং ১৫০৯ জন বিচারাধনি বাংলাদেশি। এই সব বন্দীদের সঙ্গে জেলে রয়েছে ১৬৬ জন শিশুও। জানা গেছে, সরকার বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় জেলে একবছরের বেশি সময় থাকা বাংলাদেশি বন্দীদেও ফেরত পাঠানোর ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে।

ওষুধে ভেজাল ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে!

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ৭০০ প্রতিষ্ঠান বছরে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি করছে করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে করে সাধারণ মানুষ পড়েছে মহাবিপদে। অথচ সরকার নীরব! সমস্যাটি সরকারকে অতি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা দরকার এবং নকল ওষুধ প্রস্তুতকারক এবং বাজারজাতকারীদের কঠোর হস্তে দমন করা দরকার। এক্ষেত্রে ওষুধের দোকানগুলোতে এর কারখানাগুলোতে অভিযান চালিয়ে যদি কারও দোকানে বা কারখানায় নকল বা বিদেশী চোরাই ওষুধ পাওয়া যায়, তাহলে ওইসব দোকানের বা কারখানার লাইসেন্স বাতিল ও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

দেশে ওষুধ শিল্পের আকার একদিকে যেমন বড় হচ্ছে, অন্যদিকে সমান্তরালভাবে বড় হচ্ছে নকল ও নিম্নমানের ওষুধের বাজার। বর্তমানে ওষুধ শিল্পের আকার ১০ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে নকল ও নিম্নমানের ওষুধের দখলে রয়েছে দেড়-দুই হাজার কোটি টাকার বাজার। রাজধানীতে নিম্নমানের নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে বাজার ছেয়ে গেছে। নকল ও ভেজাল ওষুধ বাজারজাত করায় শুধু জটিল রোগ-ব্যাধি নয়, ঘটছে মৃত্যুর মতো ঘটনাও। সারাদেশে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি প্রায় ২০ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ উৎপাদন করছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ওষুধই ওষুধ প্রশাসনের কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অবাধে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ভেজাল ওষুধ অতি সহজেই হাতে চলে আসছে।
সংশ্লষ্টি সূত্র মতে, বছরে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার ওষুধ নকল হচ্ছে বাংলাদেশে। দেশে ৮ শতাধিক বেশি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৭০০ প্রতিষ্ঠানই নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি করছে। সূত্রমতে, দেশে বছরে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে আড়াইশ কোটি টাকার ওষুধই ভেজাল হচ্ছে। ফলে রোগীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি গুরুতর শারীরিক ক্ষতিরও শিকার হচ্ছে।
রাজধানীতে বিভিন্ন ভেজালবিরোধী অভিযানে দেখা যায়, নকল কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে জীবন রক্ষায় সহায়তাকারী ওষুধ হাইড্রোকরটসিন ইনজেকশন। নকল হচ্ছে মিথাইল প্রডেনিসোলন গ্রুপের একটি ইনজেকশন। এছাড়া বিভিন্ন তরল ওষুধেরও নকল হচ্ছে অহরহ। মাত্র ৩০ টাকা মূল্যের এন্টিবায়োটিক এমোক্সিসিলিন ড্রাই সিরাপের বোতলে দামি এন্টিবায়োটিক ড্রাই সিরাপের লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে বেশি দামে। নকল হচ্ছে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ রিফিমপিসিন ট্যাবলট। এ ট্যাবলেটের মধ্যে রাসায়নিক কোনো উপাদান নেই। শুধু ময়দা দিয়ে তৈরি করা হয় এ ওষুধ। কিডনি ও ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইপরেক্স ইনজেকশন এবং এর সঙ্গে মেশানো পানির  অ্যাম্পুলেও ভেজাল ধরা পড়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ২৪৬টি অ্যালোপ্যাথিক, ২২৪টি আয়ুর্বেদিক, ২৯৫টি ইউনানী ও ৭৭টি হোমিও প্যাথিকসহ ৮৪২টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব ওষুধ উৎপাদনকারী পাশাপাশি কয়েক হাজার নকল ওষুধ তৈরি কারখানা রয়েছে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ, ইসলামবাগ, মিরহাজীরবাগ, জিগাতলা, মালিবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জিঞ্জিরা, বাড্ডা, রামপুরা, সাভার ও টঙ্গীতে।
সূত্র বলছে, বাংলাদেশে প্রায় সোয়া দুই লাখ ওষুধের দোকান রয়েছ। এর মধ্যে লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ৬০ হাজার দোকানের। এরা অবাধে নকল ওষুধ বিক্রি করছে। এছাড়াও স্থলপথ ও আকাশপথেও ভারত, মিয়ানমার, দুবাই, সউদী আরব, পকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে নিষিদ্ধ ওষুধ দেশে আসছে। চোরাইপথে আসা এসব ওষুধ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার মিটফোর্ড, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।
বাংলাদশে কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সূত্রে আরো জানা যায়, আটক ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা গেছে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, পানি ও অ্যারারোডের সঙ্গে তরলজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল। এসব নকল ওষুধের গায়ে লাগানো হচ্ছে দামি প্রতিষ্ঠানের লেবেল। কম দামি ওষুধ ও ক্যাপসুল কিনে বোতলের গায়ে লেখা হচ্ছে দামি ওষুধের নাম।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সায়েন্স ও বায়ো কেমিস্টি সূত্রে জানা যায়, ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১ হাজার ৭০৭টি বাণিজ্যিক ওষুধকে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় বাতিল করা হয়েছিল। এর ফলে, নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বাজারে খুবই কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে ওষুধনীতিতে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধকে চিহ্নিত করা হয়নি। এর ফলে ছোট ছোট কোম্পানিগুলো বেশি মুনাফার জন্য নকল, ভেজাল ও নিম্নমারে ওষুধ উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ওষুধের ক্ষেত্রে অনাচারের অর্থই হচ্ছে মানুষের জীবন নিয়ে বাণিজ্য। জীবন নিয়ে প্রতারণা। 
মূলত, চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রতারণার দ্বারা উপরোক্ত দু’অপরাধ বা তদপেক্ষা বেশি অপরাধও প্রযোজ্য হয়। যে অপরাধবোধ ওষুধ প্রস্তুতকারী মালিক, বিক্রয় প্রতিনিধি, বিক্রয়কারী এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তার তথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কারো মধ্যেই নেই বললেই চলে।

গোয়েন্দা নজরদারিতে ৪৪ প্রতিষ্ঠান

Details

৪৪ প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: আগামী অর্থবছরের আয়-ব্যয়ে মনিটরিং করার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ প্রতিষ্ঠানের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে ৮ জানুয়ারির মধ্যে আগামী অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ অন্য বিবরণী চেয়ে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল প্রতিষ্ঠানগুলোর ১৮টি বিষয়ের তথ্য জানতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। আর ওই সব প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রাক্কলন জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। 

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় যে ৪৪টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ বন শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড, বাংলাদেশ বস্ত্র শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন, বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা ওয়াসা, চট্টগ্রাম ওয়াসা, খুলনা ওয়াসা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন, ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।

অপরদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগ প্রতিটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের জনবল, আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন, সরকারি কোষাগারে জমার প্রতিবেদন, তহবিল প্রবাহ, ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ, স্থিতিপত্র, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ও দায় এবং প্রতিষ্ঠানের খাতভিত্তিক ব্যয়ের ওপর প্রতিবেদন চেয়েছে। আর প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিলের বিপরীতে কী পরিমাণ বরাদ্দ রয়েছে এবং কতটা ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানের যানবাহনের সংখ্যা ও পেট্রল, সিএনজি, লুব্রিকেন্ট খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দের স্বপক্ষে যৌক্তিকতাসস্বলিত কাগজপত্র সরবরাহের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া আগামী বছর প্রতিষ্ঠান কী কী সম্পদ সংগ্রহ অথবা ক্রয় করবে, তার আনুমানিক মূল্যসহ তালিকা দিতে হবে। সংগঠন ও সরঞ্জাম তালিকায় নেই, এমন কোন যানবাহন বা যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য বাজেট প্রাক্কলনে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। যানবাহন ঘোষণা ও নিষ্পত্তির প্রমাণপত্র প্রস্তাবের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও করপোরেশনের সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদনও জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও করপোরেশন নিজেরাই বাজেট প্রণয়ন ও খরচ করে। এগুলো ঠিকমতো নজরদারি করা হয় না। মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট পাস করিয়ে নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ইচ্ছেমতো খরচ করে। আয়-ব্যয়ে ভারসাম্য ও নজরদারি না থাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ ধীরে ধীরে লোকসানি ও রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। কিন্তু এসব লোকসানি প্রতিষ্ঠানের দায় সরকারকেই বহন করতে হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আগামী কয়েক বছরের কর্মপরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে। অন্য সব প্রতিষ্ঠানকেও বাজেট নজরদারির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই লোকসানি। তবে এর মধ্যে কিছু রয়েছে একেবারেই রুগ্ন। বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন, বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ বস্ত্র শিল্প করপোরেশন, ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ এর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশনের মতো বড় কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো সরকারি পরিকল্পনা ও নীতির কারণে লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে হাসিনা-মোদি প্রথম বৈঠক

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে তাদের প্রথম বৈঠক। জাতিসংঘের নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি একে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘বৈঠক হবে। এজন্য প্রস্তুতি চলছে।’ আগের মেয়াদে শেখ হাসিনা যতবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়েছেন ততবারই ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সাথে বৈঠক করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানান, শেখ হাসিনা ও মোদির প্রথম বৈঠকে সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও তিস্তা চুক্তি ও স্থল সীমান্ত চুক্তিসহ বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো উত্থাপন করা হবে।মোদির শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার সরকার প্রধানরা উপস্থিত থাকলেও সে সময় জাপান সফর নির্ধারিত থাকায় দিল্লি যেতে পারেননি শেখ হাসিনা। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী, যে দেশটির সাথে ঐতিহ্যগতভাবেই পার্শবর্তী কোনো দেশের সম্পর্ক উষ্ণ নয়। স্থল সীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে মোদি আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। আগামী ডিসেম্বরে মোদির বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।

   

ফটো গ্যালারি

   

Chairman: D.Farid Uddin Farid, (Chairman Bangladesh Hwman Rights Council), Editor: Main Uddin Bhuyan,Legal adviser Advocate kazi Rubayad hasan Sayeem,91/2,Wireless,Moghbazar,01842553366,Email: nationalnewsbangladesh@gmail.com

   
© ALLROUNDER