Nationalnews.Video  

 

 
   

Facebook LikeBox  

   

বাংলা পত্রিকা  

 

 Advertise

Add

 

 

Walton At Every Home

Advertise

Advertise


Our Services

Web Design & Development
Application Development
Software Development
Search Engine Optimization
Social Media Marketing
CCTV Camera Sequirirty Sstem
Data Networking
Graphic Design
Domain & Hosting
Architect Design Engineering
email & SMS Marketing
Computer Sales(Corporate)

IT Taining Program

Outsourcing Training

Feni Office:
Shah Alam Tower,5th floor,Bloc-#C,Opposite by Islampur Road,S.S.K Road Feni,Bangladesh
 
Mobile:+88-01817711619, +
info@twoinsoft.com

 web:www.twoinsoft.com


 

websbd.net

   
Today69
Yesterday254
Total143033

Saturday, 02 August 2014 06:31

Who Is Online

Guests : 5 guests online Members : No members online
   

প্রচ্ছদ

সমুদ্রসীমার রায় মেনে নিয়েছে ভারত

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: বঙ্গোপসাগরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সাড়ে ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকার নতুন সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দেয়া রায় মেনে নিয়েছে ভারত। বঙ্গোপসাগরের সীমা, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মহীসোপানের তলদেশে সার্বভৌম অধিকার নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের দাবির শুনানি শেষে নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন (পিসিএ) সোমবার রায়ের অনুলিপি দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করে।

বিরোধপূর্ণ ওই এলাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশকে দিয়ে সীমা নির্ধারণ করে আদালত, যার বিস্তারিত মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকার। বিকালে ভারত সরকারের পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এবিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের প্রতি ভারত সরকারের শ্রদ্ধা জানানোর কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন।

তিনি বলেন, আমরা ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং আমরা ওই রায় ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা বিষয়ে সমাপ্তি টেনে সমুদ্রসীমা নিয়ে ঘোষিত এই মীমাংসা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্য আরো জোরদার করবে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরের এই অংশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রসারিত হবে, যাতে উভয় দেশই উপকৃত হবে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪২৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের জন্য ৪২৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বাজেট ঘোষণা করা হয়। এতে উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখে কোন প্রকার কর বৃদ্ধির প্রস্তাবনা ছাড়াই নতুন অর্থ বছরের জন্য ৪২৪ কোটি ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৫১২ টাকার বাাজেট ঘোষণা করেন তিনি। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরবাসির দীর্ঘদিনের দাবী শীতলক্ষ্যা ব্রীজের জন্য এলজিইডি এর মধ্যেই ফিজিবিলিটি ষ্টাডি সম্পন্ন করেছে। এ বছরই মন্ত্রণালয়ে এটি দাখিল করা হবে। মেয়রের বর্তমান মেয়াদকালে ব্রীজের নির্মাণ কাজ শুরু না হলেও এ সময়ের মধ্যে ব্রীজের সমস্ত দালিলিক কাজকর্ম শেষ হয়ে যাবে। কর্পোরেশনের পরবর্তী মেয়রের মেয়াদকালে শীতলক্ষ্যা ব্রীজের নির্মাণ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় অন্যান্যেল মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সিদ্দিকুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ওবায়েদ উল্লাহ, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল মজুমদারসহ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা, সুশীলসমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকরা। বাজেট ঘোষণার পর মেয়র আইভী জনতার মুখোমুখি হন।
বাজেটে ১ কোটি ৭০ লাখ ৮২ হাজার ৯৭৬ টাকা উদ্বৃত্ত দেখানো হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি ৬১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৮৪ টাকা এবং উন্নয়ন আয় দেখানো হয়েছে ৩শ ৪৩ কোটি ৪৩ লাখ ২৩ হাজার ২৮ টাকা। ব্যয় দেখানো হয়েছে রাজস্ব খাতে ৬০ কোটি ৩৮ লাখ ২হাজার ৭২০ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৩শ ৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৮৩হাজার ৮১৬ টাকা। বাজেটে নতুন করে যেসব খাতে উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে রাস্তা, ড্রেন, ব্রীজ কালভার্ট, নির্মাণ অবকাঠামো নির্মাণ ও পূনঃনির্মাণ দারিদ্র বিমোচন, তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দুরীকরন, খেলাধুলার মানোন্নয়ন, স্ট্রীট লাইট স্থাপনের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়া এশীয় উন্নয়ণ ব্যাংকের সহাযতায় নগরবাসির স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধির জন্য একটি মাতৃসদন নির্মাণ কাজ চলমান আছে এবং তিনটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মানের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে।

এডিবি, জাইকা, বিএমডিএফ, এমজিএসপি, এডিপি, প্রকল্প সহায়তার মাধ্যমে অবকাঠামো নির্মান ও পুনঃনির্মাণ , বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খাল খনন ও জলাধার সংরক্ষণ, পঞ্চবটিতে শিশু পার্ক, আলী আহম্মদ চুনকা পৌর পাঠাগার উন্নয়ণ, শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ ও নদীর দুই পাড় বাধাই করে হাটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের আয়বর্ধনের জন্য মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমুলক শিক্ষা প্রদানের কেন্দ্র স্থাপন, গরিব ও মেধাবীদের জন্য সম্পুর্ণ বিনামুল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। আইভী বলেন, এ বছরই নগর ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। সোনাকান্দা হাট এলাকায় ইকোপার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

রমজান ও ঈদে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃংখলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতির বক্তৃতায় মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার এ কথা বলেন। তিনি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। আইজিপি রমজান মাসে সুষ্ঠুভাবে যানবাহন চলাচল ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সকল মহাসড়কে যাতে নসিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল না করে সেজন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন এবং সজাগ থাকারও নির্দেশ দেন।

মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, এর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রদর্শন করে উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, ফরমালিন ও রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত ফল ও খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল বিরোধী চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। দায়িত্বশীলতার সাথে এ অভিযান পরিচালনা করার জন্যও তিনি সংশ্লিদের প্রতি নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলা বা অপেশাদার আচরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় রমজান মাসের সার্বিক আইন-শৃংখলা, ট্রেন, বাস ও লঞ্চের নিরাপদ চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতসহ অন্যান্য স্থানের জামাতের নিরাপত্তা এবং জাল টাকার অপব্যবহার রোধে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রমজানে রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বড় বড় শহরে বিপনী বিতান ও শপিংমলগুলোকে যথাসম্ভব সিসিটিভির আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। জনসাধারণের কেনাকাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে গভীর রাত পর্যন্ত পর্যাপ্ত নৈশ টহলেরও ব্যবস্থা করা হবে। ব্যাংক ও অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশ জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। মহাসড়কে সুষ্ঠুভাবে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া পুলিশ কোন যানবাহন তল্লাশি করবে না। মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধ এবং যানজট নিরসনে হাইওয়ে এবং জেলা যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে।
প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপনে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে পুলিশ, মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ঈদ জামাতস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রমজানের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি সার্বিক সমন্বয়ের লক্ষ্যে ১৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং প্রতিটি জেলা ও ইউনিটে পর্যবেক্ষণ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে।

এ সভায় অতিরিক্ত আইজিপি মো.আমির উদ্দিন,এসবির অতিরিক্ত আইজিপি মো.জাবেদ পাটোয়ারি, র‌্যাব’র মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মো.মোখলেসুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, সকল মেট্রোপলিটন শহরের পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ, হাইওয়ে, রেলওয়ে ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিটের ডিআইজি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

হজযাত্রীদের টিকা বাধ্যতামূলক

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: হজযাত্রীর সুরক্ষায় এ বছর ‘ক্রনিক’ রোগের টিকা বাধ্যতামূলক করেছে ধর্মমন্ত্রণালয়। সোমবার সচিবালয়ে ধর্মমন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব চৌধুরী মো.বাবুল হাসান। সাম্প্রতিক সমেয় সৌদি আরবে মিডল ইস্ট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোম (মার্স) ভাইরাস সংক্রমণের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি জানান।

সচিব বলেন, ‘হজ উপলক্ষে মার্স ভাইরাস প্রতিরোধে হাজিদের সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। মার্স ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার জন্য সৌদি সরকার ইতিমধ্যে আমাদের একটি চিঠি দিয়েছে। সে জন্য সভায় হজ গমনের আগে হাজিদের ২টি টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হজের সময় আমাদের হাজিরা এই ভাইরাসে যাতে আক্রান্ত না হয় সেজন্য বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শিগরিই এ প্রচারণা চালু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে আমাদের হাজিরা সৌদি আরবে গমনের আগে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সৌদিতে কোনো হাজি সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে তার কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। বাইর থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।’ এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রক) অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. এনামুল হক, হাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল কবির খান ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের পরিচালক লুৎফর রহমান সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী ও ভিসার মেয়াদ শেষেও যারা থেকে গিয়েছেন তাদের চিহ্নিত করে ডিটেনশন সেন্টারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বিশেষ ডিটেনশন সেন্টার। দিল্লি সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই ডিটেনশন সৈন্টার তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ ও জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়িতে তৈরি হবে এই ডিটেনশন সেন্টার।

সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর যে সব বাংলাদেশি থেকে  গেছেন তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর কিছু পদ্ধতিগত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলির কাছে। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিকে ছয় মাসের বেশি জেলে রয়েছে এমন বাংলাদেশির সংখ্যাও জানাতে বলা হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর যে ঘোষণা নির্বাচনের সময় বিজেপির নেতারা দিযেছিলেন সেই কাজ মোদী সরকার শুরু করে দিয়েছে। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর ধরে নিয়েই তা করা হচ্ছে খুব ধীর গতিতে। অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী চিহ্নিত করার জন্য জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যে সব রাজ্যে এই জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে সেই সব রাজ্যকেও আরেকবার তা ভালভাবে যাচাই করে দেখতে বলা হযেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে  ডিটেনশন সেন্টারে সব বাংলাদেশি বন্দীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর তাই দ্রুত ডিটেনশন সেন্টার তৈরির জন্য পূর্ত বিভাগকে তাগিদ দেওয়া হযেছে। পশ্চিমবঙ্গের জেলগুলিতে (১লা মে পর্যন্ত) ৩৩১৪ জন বাংলাদেশি বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫১ জন সাজার মেয়াদ শেষ করার পরেও জেলে থেকে গিযেছেন। তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়নি নানা আইনি জটিলতার জন্য। এছাড়া জেলে রয়েছে ৯৮৮ জন সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি এবং ১৫০৯ জন বিচারাধনি বাংলাদেশি। এই সব বন্দীদের সঙ্গে জেলে রয়েছে ১৬৬ জন শিশুও। জানা গেছে, সরকার বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় জেলে একবছরের বেশি সময় থাকা বাংলাদেশি বন্দীদেও ফেরত পাঠানোর ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে।

ঢাবির ১০ ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ১০ ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার একটি খেলাকে কেন্দ্র করে ঢাবির ৭ সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরো ২ জনকে কারণ দর্শাও নোটিস দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক আমজাদ আলী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সোমবার ঢাবির মল চত্বরে ফুটবল খেলা নিয়ে এক অপ্রীতিকর ঘটনার পর মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে প্রক্টর বলেন, বহিষ্কারাদেশ চলাকালে এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না।

এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত ছাত্ররা হলেন- হিরাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষের ছাত্র মিজান, ইতহাস ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শরীফ, দর্শন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আব্দুল হামিদ, ম্যানেজমেন্ট ১ম বর্ষের ছাত্র বিদ্যুৎ ও ফিন্যান্স বিভাগের জাকির ও সোহাগ। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র মেহেদী, সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী রাহাত, সংস্কৃত বিভাগের পারভেজ ও নোবেলকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া খোকন ও মোখলেছ নামের আরো ২  শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শাও নোটিস দেয়া হয়েছে।
জানা যায়,সোমবার রাত ৮টার দিকে ঢাবির মল চত্বরে ফুটবল খেলা নিয়ে সূর্যসেন হলের ছাত্ররা ৭জন সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করেছে। হামলাকারীদের অধিকাংশই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ অভিযোগে ঘটনার দিনই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে সূর্যসেন হল শাখা কমিটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় এবং ১২ কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। 
এঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হুসাইন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ৫ কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে বহিষ্কৃতদের মধ্যে সূর্যসেন হলের ছাত্র মিজান, শরীফ, বিদুৎ, হামিদ ও জাকির ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলারও আসামি। এছাড়া হামিদ, বিদ্যুৎ ও জাকিরকে ঘটনার পরপরই পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

ঈদ উপলক্ষ্যে মৌলভীবাজারে প্রবাসী সমাজকল্যান সংস্থার ত্রাণ বিতরণ

Details

Image

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ঈদ উপলক্ষ্যে মৌলভীবাজারে  প্রবাসী সমাজকল্যান সংস্থার উদ্যোগে দু:স্থ লোকদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ১৫ জুলাই বিকেলে মৌলভীবাজার শহরের গোল্ডেন ইন রেষ্ঠুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংস্থার সভাপতি মাওলানা আ: আহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাতাকুঁড়ির দেশ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শেফুলকনকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন- হাফিজ দিলশাদ আলমআ: আজিজশামসু মিয়ামারুফ আহমদ প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথিও বিশেষ অতিথিবৃন্দ ৬০ জন দু:স্থ লোকদের মধ্যে ডালচিনিপিয়াজতেলচানাময়দাসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও ইফতারে মিলিত হন।উল্লেখ্য সদর উপজেলার দূর্লভপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাহাঙ্গির হোসাইনের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রবাসীদের সহযোগীতায় সংস্থাটি দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজার জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়কে কাজ করে যাচ্ছে।

মেসির গোল্ডেন বল প্রাপ্তিতে ফিফার উপর বেজায় চটলেন মারাদোনা

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: শুরুটা করেছিলেন ম্যারাডোনা। সেই দলে এবার যোগ দিলেন সেপ ব্লাটার ও মারিও কেম্পেস। মেসির হাতে গোল্ডেন বলের পুরস্কার দেখে এ তিনজনই অবাক হয়েছেন। তিনজনই একই সুরে কথা বলেছেন। সমালোচনাও করেছেন। তবে মজার বিষয় হল-মেসি কিন্তু নিজে মঞ্চে এসে বলেননি যে ওটা আমার চাই। আমাকেই ওটা দিতে হবে। বরং ফাইনালের আগের দিন মেসি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন-‘বিশ্বকাপ জয়ের বিনিময়ে আমার পেছনের বাকি সব ট্রফি, সব অর্জন আমি দিয়ে দিতে চাই। তবুও শুধু বিশ্বকাপটা চাই।’ কিন্তু ফাইনাল জিতে জার্মানি বিশ্বকাপ নিয়ে গেল। আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল পরীক্ষা শেষে ক্লাসের দ্বিতীয়সেরা বালক! তবে মেসি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে ব্যক্তিগতভাবে লড়াইয়ে সবার ওপরে।

মেসির হাতে এই ব্যক্তিগত অর্জনের ট্রফিটাই সব বিতর্কের তৈরি করেছে। ডিয়েগো ম্যারাডোনা যে মেসিকে ভালোবাসেন না-তা কিন্তু নয়। তবে তার হাতে গোল্ডেন বলের পুরস্কার দেখে ম্যারাডোনাও খুশি হতে পারেননি। তার সাফ কথা-‘মেসি পুরো বিশ্বকাপে যা খেলেছে, তাতে এ পুরস্কারটা তার হাতে মানায় না। নিশ্চয়ই ফিফা স্পন্সরদের চাপের মুখে পড়েই এ পুরস্কারটা মেসিকে দিয়েছে। এতে যতখানি না ফুটবল মেধার পুরস্কার, তার চেয়ে বেশি বাণিজ্যিকীকরণের ব্যাপার-স্যাপার জড়িয়ে আছে।’

ম্যারাডোনার মতো ঠিক এমনভাবে ফিফার সমালোচনা করেননি সেপ ব্লাটার। তবে যা বলেছেন সেটা তো তার নিজের সংস্থার প্রতিই একঅর্থে অনাস্থার মতো! মেসির এ পুরস্কার প্রসঙ্গে ফিফা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন-‘আমি কি কূটনীতিক ভঙ্গিতে কিছু বলব, নাকি যা সত্য সেটা বলব।’
ব্লাটার তারপর যা বললেন সেটা মেসির এ পুরস্কার বিতর্কে নতুন আগুন উস্কে দিচ্ছে-‘এ পুরস্কার নিতে মেসিকে মঞ্চে উঠে আসতে দেখে আমি নিজেই অবাক হয়েছিলাম।’
তাহলে কী অর্থ দাঁড়াল? পুরো বিশ্বকাপে মেসির খেলা স্বয়ং ফিফা সভাপতিকেও মুগ্ধ করতে পারেনি।
১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক মারিও কেম্পেসও এ বিশ্বকাপে মেসির হাতে গোল্ডেন বল পুরস্কারের সমালোচনা করেছেন। ’৭৮ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা কেম্পেস মনে করেন, মেসি এ পুরস্কার জেতার মতো মানসম্মত খেলা দেখাতে পারেনি। বলছিলেন-‘মানছি মেসি শুরুর কয়েকটি ম্যাচে চারটি গোল করেছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার মতো ফুটবল কি সে খেলতে পেরেছে? ঠিক মাছের যেমন পানির প্রয়োজন রয়েছে, আর্জেন্টিনারও তেমনি মেসির প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু মাঠে, ম্যাচে খেলায় দলের সঙ্গে তাকে আরও জড়িয়ে থাকতে হবে। ক্ষুরধার যে ফুটবল মস্তিষ্কের খোঁজে ছিল আর্জেন্টিনা সেটা মেসির কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। বিশ্বকাপের শুরুতে আমাদের প্রধান চিন্তা ছিল দলের রক্ষণভাগ নিয়ে। কিন্তু শেষের দিকে এসে দেখা গেল সমস্যা ঘিরে আছে আক্রমণভাগেই। দুনিয়াটাই যেন পুরো উল্টে গেল!’
তবে গোল্ডেন বল পুরস্কারকে ঘিরে চারধারে যে রকম সমালোচনা হচ্ছে তা দেখে মেসি যদি এখন এ পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন-তবে সেটা ফিফার জন্য হবে বড়ই লজ্জার বিষয়। মজার তথ্য হল, ফিফার টেকনিক্যাল কমিটিই বিচার-বিশ্লেষণ করেই মেসিকে এ পুরস্কার দিয়েছে। আর ফিফা সভাপতিই সেই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন। ফিফা ক্রমেই নিজেই হাসির পাত্র হচ্ছে! 

   

ফটো গ্যালারি

   

Chairman: D.Farid Uddin Farid, (Chairman Bangladesh Hwman Rights Council), Editor: Main Uddin Bhuyan,Legal adviser Advocate kazi Rubayad hasan Sayeem,91/2,Wireless,Moghbazar,01842553366,Email: nationalnewsbangladesh@gmail.com

   
© ALLROUNDER