Nationalnews.Video  

 

 
   

Facebook LikeBox  

   

বাংলা পত্রিকা  

বিজ্ঞাপন

 বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

   
Today47
Yesterday291
Total151688

Tuesday, 02 September 2014 04:11

Who Is Online

Guests : 14 guests online Members : No members online
   

প্রচ্ছদ

এটিএম শামসুজ্জামানের ছেলের যাবজ্জীবন

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: চলচ্চিত্র অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের বড় ছেলে কামরুজ্জামান কবীর হত্যা মামলার রায়ে তার ছোট ছেলে এটিএম খলিকুজ্জামান কুশলকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হয়েছেন মামলার একমাত্র আসামি কুশল। রোববার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো.শাহেদ নুর উদ্দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পিপি মো.আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া জানান, বড় ভাই কবীরকে হত্যার দায়ে এ দন্ডাদেশ পেয়েছেন ছোট ভাই কুশল। কারাগারে আটক এটিএম শামসুজ্জামানের ছোট ছেলে এটিএম খলিকুজ্জামানকে আদালতে আনা হয়। তাকে দন্ডাদেশ দিয়ে ফের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় এটিএম শামসুজ্জামান সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, এটিএম শামসুজ্জামানের বড় ছেলে কামরুজ্জামান কবীর ২০১২ সালের ১৩ মার্চ বিকেলে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনের ৪৬ নম্বর হোল্ডিংয়ের নিজ বাড়িতে ছোট ভাই কুশলের ছুরিকাঘাতে খুন হন। এ ঘটনায় এটিএম শামসুজ্জামান ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে আরেক ছেলের বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই পুলিশ কুশলকে গ্রেফতার করে। তখন থেকেই তিনি কারাগারে আটক আছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৩ মার্চ দুপুর আড়াইটার দিকে শামসুজ্জামান শুয়েছিলেন। এ সময় গেটে দু'টি বিকট শব্দ শুনে বের হয়ে দেখেন, তার বড় ছেলে কামরুজ্জামান কবীর এক তালা-চাবিঅলাকে দিয়ে বাড়িতে ঢোকার বিকল্প দরজার তালা ভাঙছেন। ছেলেকে তালা ভাঙার কথা জিজ্ঞাসা করলে কবীর তার বাবাকে কটূক্তি করেন। ছেলের বেয়াদবি সহ্য করতে না পেরে তাকে একটি থাপ্পড় মারেন এটিএম শামসুজ্জামান। কবীর তৎক্ষণাত তার বাবাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি লাথি মারতে থাকে। ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভেতরে ফেলে দেন। ঘরের দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এটিএম শামসুজ্জামানের মাথা ফেটে যায়। এ সময় ছোট ছেলে খলিকুজ্জামান কুশল তার ঘর থেকে বের হয়ে এসে বড় ভাইকে উর্পযুপরি ছুরিকাঘাত করতে থাকেন এবং বলতে থাকেন, 'বল, কেন আমার বাবাকে মেরেছিস, বল।' চিৎকার শুনে এটিএম শামসুজ্জামানের ছোট ভাই ইব্রাহিম জামান এসে কুশলকে জোর করে সরিয়ে একটি ঘরে ঢুকিয়ে দেন। কবীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান। সেখানেই মারা যান কবীর। মামলায় নিহত কবীরকে বদরাগী এবং তার পিতা-মাতাকে মাঝে মাঝেই মারধর করতেন বলে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনাটি তদন্ত করে সূত্রাপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম গত বছরের ২৫ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটের ২২ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

১৬ মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে রূপসী বাংলা

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ১ সেপ্টেম্বর সোমবার থেকে আগামী ১৬ মাস সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হোটেল-রূপসী বাংলা। হোটেল বন্ধ থাকার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছে হোটেলের অনেক নিয়মিত বিদেশী অতিথি। এদিকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন রূপে ইন্টারকন্টিনেন্টাল নামে ফিরে আসবে হোটেলটি। তবে কার্যক্রম বন্ধ হলেও, হোটেলের কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়নি বলে জানান তিনি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ- বলাকা ও বর্তমান রূপসী বাংলাতে কর্মরত থাকবেন সবাই। তিনি আরও জানান, ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ইন্টারকন্টিনেন্টাল নামে চালু ছিলো হোটেল রূপসী বাংলা। প্রায় ৪৫ বছর পর পুরনো নামে ফিরে যুদ্ধকালীন সময়ের স্মৃতিকে সংরক্ষণ করতে হোটেলে মধ্যে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হবে। 

গেল অর্ধ শতাব্দীতে ৫ তারকা হোটেলের সাজ-সজ্জা ও আরাম আয়েশের ধারণায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। আর তাই যুগের সাথে তাল মেলাতে নেয়া হয়েছে হোটেলটির সংস্কারের উদ্যোগ। আর তাই আগামী ১৬ মাস বন্ধ থাকবে হোটেলের কার্যক্রম। সংস্কার কাজে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট ও সাধারণ অতিথি কক্ষের মান উন্নয়ন করার পাশাপাশি বাড়ানো হবে ঘরের আয়তনও। বর্তমানে ২৮ বর্গমিটারের ঘরগুলো সংস্কার কাজের পর বেড়ে দাঁড়াবে ৪০ বর্গমিটারে। আর ২৭২ কক্ষের হোটেল পরিণত হবে ২২৬ কক্ষে।
বিপণন পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হচ্ছে নাম্বা ওয়ান ব্রান্ড। আর এটাকে নিতে হলে এর অবকাঠামো এবং সুযোগ সুবিধা সেভাবে করতে হবে। তিনি বলেন, সংস্কার কাজের জন্য হোটেল বন্ধ রাখার খবরে আবেগে আক্রান্ত ছিলেন গত ৫ দশক ধরে রূপসী বাংলা হোটেলের অতিথি ব্রিটিশ নাগরিক ডেনিস ওয়ারউইক। হোটেলের অতিথি ব্রিটিশ নাগরিক ডেনিস ওয়ারউইক বলেন, বিষয়টি আমার জন্য খুবই দু:খজনক। যখন কয়েক মাস পর আবারো বাংলাদেশে আসবো, তখন জানি না কোথায় থাকবো! হয়তো অন্য হোটেলে উঠবো কিন্তু এ হোটেলের পরিবেশ পাবো না। 
প্রসঙ্গত প্রায় ৪৮ বছর আগে, ১৯৬৬ সালে সাড়ে ৪ একর জমিতে রাজধানীর শাহবাগে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম ৫ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। পরে পরিচালন অংশীদার বদল হওয়ায় হোটেলের নাম হয় শেরাটন। আবার নাম বদলে তা হয় রূপসী বাংলা।

২০১৬ সালে এইচএসসিতে ১০ বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: আগামী ২০১৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় আরো ছয়টি এবং আলিম পরীক্ষায় চারটি বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রবর্তন করা হবে। এছাড়া দাখিল পরীক্ষায় পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের প্রশ্নও হবে সৃজনশীল পদ্ধতিতে। ২০১৭ সালে এইচএসসিতে আরো নয়টি বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতির প্রশ্নের উত্তর করতে হবে শিক্ষার্থীদের। বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী বলেন, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের দাখিল ও এইচএসসি/আলীম পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি প্রবর্তনের প্রজ্ঞাপন জারি বিষয়ক ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী।

সভায় জানানো হয়, ২০১৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের জন্য অর্থনীতি, যুক্তিবিদ্যা, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি, ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বীমা, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন এবং ভূগোল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির পরীক্ষা চালু করা হবে। ২০১৬ সালের আলীম পরীক্ষায় অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির পরীক্ষা চালু হবে। এছাড়া ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের জন্য কৃষি শিক্ষা, পরিসংখ্যান, মনোবিজ্ঞান, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, শিশুর বিকাশ, খাদ্য ও পুষ্টি, গৃহব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন, শিল্পকলা ও বস্ত্র পরিচ্ছেদ এবং ইসলামি শিক্ষা বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির পরীক্ষা চালু হবে। এইচএসসি পর্যায়ে ২০১২ সাল হতে শুরু হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোট ১৫টি বিষয়ে (এইচএসসিতে ১২টি ও আলীমে তিনটি) পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। আর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২৯টি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে এসএসসিতে ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মোট ২১টি বিষয়ে এবং দাখিল পরীক্ষায় ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আটটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র প্রবর্তিত হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসব বিষয়ের শিক্ষকগণকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। গত সাড়ে পাঁচ বছরে শিক্ষাখাতের অগ্রগতিতে জনগণের প্রত্যাশা বেড়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের কোটি কোটি নতুন প্রজন্ম আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, তাদেরকে বিশ্বমানের দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে। তারা নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ নিতে উন্মুখ হয়ে আছে। তাদেরকে বঞ্চিত করা যাবে না। শিক্ষাপরিবারের প্রতিটি সদস্যকে যুগোপযোগী সৃজনশীল চিন্তা-চেতনায় কঠোর পরিশ্রম করে নতুন প্রজন্মকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করে গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সভায় শিক্ষাসচিব মোহাম্মদ সাদিক, অতিরিক্ত সচিব এএস মাহমুদ, স্বপন কুমার সরকার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, এসইএসডিপি প্রকল্পের পিডি রতন কুমার রায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগমসহ অন্যান্য বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর একেকটি পিলার ৪০ তলা ভবনের সমান হবে : যোগাযোগমন্ত্রী

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে বিশ্ব ব্যাংকের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজে বিশ্ব ব্যাংকের পরিকল্পনা থেকে একচুলও সরে আসা হয়নি। সেতুর কিছু অবকাঠামো দেশে এবং কিছু অবকাঠামো চায়নাতে নির্মাণ হচ্ছে। ইতিমধ্যে চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির প্রধান প্রকৌশলীসহ ৩০ জনের চায়না প্রতিনিধি দল মাওয়ায় এসে কাজ শুরু করেছেন। পদ্মা সেতুতে ৩৬০টি পিলার হবে। একেকটি পিলার ৪০ তলা ভবনের সমান হবে। 

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে যোগাযোগমন্ত্রী পরে মাওয়ায় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। শিমুলিয়ায় মাওয়াঘাট স্থানান্তর কাজের অগ্রগতিও দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জিলানীসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই নদী শাসন কাজের চূড়ান্ত আদেশ দেয়া হবে। সেতুর কাজ ও নদী শাসনের কাজ পাশাপাশি চলবে। তিনি বলেন, মূল অবকাঠামোর কাজ চীনে অব্যাহত রেখেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিছু অবকাঠামো সেখান থেকে তৈরি করে এনে সরাসারি স্থাপন করা হবে।  

প্রাথমিকের সব পাঠ্যবইয়ের মাল্টিমিডিয়া ভার্সন হচ্ছে

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শ্রেণীর পাঠ্যবই ‘মাল্টিমিডিয়া ভার্সন’-এ রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য কম্পিউটারাইজড ডিভাইসে যাতে এসব পাঠ্যবই পড়া যায় সেলক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং সেভ দ্যা চিলড্রেনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ‘সেভ দ্যা চিলড্রেন’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ইংরেজী পাঠ্যবই মাল্টিমিডিয়া বুকে রূপান্তর করবে।

সচিবালয়ের আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান ও সেভ দ্যা চিলড্রেনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এডভাইজার এম হাবিবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে আইসিটি বিভাগের যুগ্ম-সচিব (প্রশাসন) সুশান্ত কুমার সাহা, ট্রান্সফরমেশন অব কনটেন্টস অব প্রাইমারী লেভেল ও এডুকেশন ইনটু ইন্টারেকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সন-এর প্রকল্প পরিচালক আকতার হোসেন ও সেভ দ্যা চিলড্রেনের আইসিটি এডুকেশন ম্যানেজার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি ডিভিশন) প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রের ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল স্তরের পাঠ্যবই মাল্টিমিডিয়া ভার্সন-এ রূপান্তরের লক্ষ্যে ২ বছরের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ ‘ট্রান্সফরমেশন অব কনটেন্টস অব প্রাইমারী লেভেল এডুকেশন ইনটু ইন্টারেকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সন’ শিরোনামে এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাল নির্ধারণ করা হয়েছে মার্চ ২০১৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
অন্যদিকে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইসিটি সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, উল্লেখিত প্রকল্পের আওতায় আমরা প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল শ্রেণীর পাঠ্যবই মাল্টিমিডিয়ায় ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তরের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বহুপাক্ষিক দাতা সংস্থাগুলোর সহযোগিতা কামনা করি। আমাদের এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সেভ দ্য চিলড্রেন সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে ট্যাবলেট প্রদানের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও আইসিটি সচিব উল্লেখ করেন।

নারায়ণগঞ্জে সাত খুন : ১৩ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

Details

গত ৩০ এপ্রিল লাশ উদ্ধারের ছবি

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আগামী ১৩ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কে এম মহিউদ্দিন বুধবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, এদিন আসামিদের হাজিরার তারিখ ছিল। সে অনুযায়ী র্যা বের সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম এম রানাসহ ১৫ জনকে আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আগামী ১৩ অক্টোবর শুনানির দিন রেখে গ্রেফতার আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন,১৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। এর তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ফতুল্লা মডেল থানায় আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পালও ফতুল্লা মডেল থানায় আরেকটি মামলা করেন। এ মামলার আসামি র্যােবের সাবেক তিন কর্মকর্তা হত্যাকা-ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া র্যাসব-১১ এর ছয় সদস্য অপহরণ ও খুনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মগবাজারে বোমা মেরে ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই!

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: রাজধানীর মগবাজারের দিলু রোডে বাসার সামনে বোমা মেরে আবুল কাশেম নামে এক ব্যবসায়ীর ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ব্যবসায়ী আবুল কাশেম জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় একদল ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে। এবং তার কাছে থাকা টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ সময় তিনি তাদেরকে বাধা দিলে তাকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে বোমা বিস্ফোরণ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা। বোমার আঘাতে আহত হন তিনি।

এ ব্যাপারে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো.ইকবাল বলেন, দিলু রোডের ব্যবসায়ী আবুল কাশেম তার ১০-১২ জন কর্মচারীকে ব্যাংক থেকে টাকা আনতে পাঠান। কর্মচারীরা মগবাজারে এনসিসি ব্যাংকের শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা তুলে অফিসে যাচ্ছিলেন। টাকা নিয়ে তারা মগবাজার মোড়ে পৌঁছালে ছিনতাইকারীরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ওই টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় 
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি নাটক না কি সত্য সে ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ। আহত ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে ঢাকার ৭০ হাজার ভবন!

Details

৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে ঢাকার ৭০ হাজার ভবন!

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: মাত্র ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়বে রাজধানী ঢাকার ৭০ হাজার ভবন। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় যদি রিখটার স্কেলে ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তাহলে নগরীর সাড়ে ৩ লাখ ভবনের মধ্যে কমপক্ষে ৭০ হাজার ধসে পড়বে। সোমাবার রাজধানীর একটি হোটেলে ভূমিকম্পের প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। উদ্ধার ও পুনর্গঠনে বিষয়ে সহায়তার লক্ষে বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ও সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর প্যাসিফিক কমান্ড যৌথভাবে চতুর্থ বার্ষিক ‘ডিজ্যাস্টার রেসপন্স এক্সারসাইজ এন্ড এক্সচেঞ্জ ২০১৪’ (ডিআরইই) আয়োজন করে।

বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজীর কম্যান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল এম সিদ্দিকুর রহমান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চারদিন ব্যাপি এ বার্ষিক ডিআরইই-এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহ-উল আলম এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অপারেশন এন্ড প্লানিং পরিদপ্তরের প্রধান সাইদ খান।

২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

Details

২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশঅনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ২০১৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচকে (জিপিআই) প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। তবে, বাংলাদেশের চেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ নেপাল ও ভুটান এগিয়ে রয়েছে।

২০১৩ সালের উপাত্ত ব্যবহার করে সম্প্রতি তৈরি জিপিআই সূচকে ১৬২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৮তম। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) তৈরি করা এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ‘মাঝারি’ ক্যাটাগরির বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আগের বছরের শান্তি-সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৫তম। ২০১২ সালে তা ছিল ৯১তম।

 

সমাজে বিদ্যমান সহিংসতা, হত্যা, মানুষের হাতে অস্ত্র, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ ২২টি বিষয় মূল্যায়ন করে ওই সূচক তৈরি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দ্বন্দ্বের সঙ্গে সম্পৃক্তি এবং সন্ত্রাসী তৎপরতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া, সহিংসতা দেশগুলোর অর্থনীতির উপর কী প্রভাব ফেলেছে তাও বিবেচনায় আনা হয়েছে।

 

সূচকে ১৪৩তম অবস্থানে রয়েছে ভারত। আর ১৫৪তম অবস্থানে থাকা পাকিস্তান শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিক থেকে খুবই খারাপ অবস্থায় বলে এতে বলা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আফগানিস্তানে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির অবস্থান ১৬১তম, যার পরেই রয়েছে সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির দেশ সিরিয়া।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ২.১০৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় স্থানে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শান্তি সূচকে সবার চেয়ে এগিয়ে ভুটান (স্কোর ১.৪২২)। দেশটির অবস্থান ১৬। এরপর আছে নেপাল, ৭৬তম স্থানে। ১৫৪তম স্থান নিয়ে সূচকে সবার চেয়ে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। সূচকে ভারত ১৪৩ আর শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১০৫। মালদ্বীপকে এ জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বৈশ্বিক শান্তিতে আইসল্যান্ড প্রথম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও অস্ট্রিয়া। সূচক অনুযায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় প্রথম দিকের অন্য দেশগুলো হলো- নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, কানাডা, জাপান, বেলজিয়াম ও নরওয়ে। সূত্র: আইআরআইবি

নীলফামারীতে অপহৃত শিশু রংপুরে উদ্ধার : আটক ৩

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: নীলফামারীতে গৃহপরিচারিকাকে হত্যা করে শিশু অপহরণের ঘটনার দুই দিন পর অপহৃত শিশু জুনায়েদকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে রংপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এসময় তিন অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী গ্রামের একাব্বর আলীরে ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩২), একই উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানপাড়ার গ্রামের মকবুল বেগের ছেলে মুকুল বেগ (১৬) ও ওহেদুল ইসলামের ছেলে রাশেদুল (১৮)। 

পুলিশ জানায়, অপহরণকারীদের মোবাইল ট্রাক করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় রংপুর সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকার আব্দুর রশীদ নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তাদের তিনজনকে আটক করা হয়। এরপর অপহরণকারী তিনজনকে রংপুর পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাকের কার্যালয়ে হাজির করা হলে সেখানে অপহরণকারী মুকুল বেগ জানায়, তারা শিশুটিকে অপহরণ করার সময় ওই বাড়ির গৃহপরিচারিকা তাদের দেখে ফেলায় তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। রংপুর কোতোয়ালি থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর কাদের জিলানী বলেন, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপরাধীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় অপহরণকারীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের তিনজনকে আটক করে অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে নীলফামারীর থানা পাড়ার ভাড়া বাসায় গৃহকর্মী সুমি বেগম (১৫) ও ১৫ মাসের পালিত শিশুপুত্র জুনায়েদ বাড়িতে রেখে কর্মস্থলে যান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মীর্জা নুর মোহাম্মদ বেগের স্ত্রী শিরিন জাহান। বিকালে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে বাথরুমের মধ্যে সুমি বেগমের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখলেও শিশু জুনায়েদকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরের দিন বুধবার রাতে জুনায়েদের আসল বাবা মীর্জা আকারিয়া বেগ বাদী হয়ে হত্যা ও অপহরণ মামলা করেন। হত্যাকান্ডের শিকার সুমি বেগম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের আরাজী বালাপাড়া গ্রামের আব্দুল্লাহর মেয়ে। মীর্জা নুর মোহাম্মদ বেগের নিজের সন্তান না থাকায় তিনি তার ভাই মীর্জা আকারিয়া বেগের ওইস সন্তানকে দত্তক নিয়েছিল। গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মূল পরিকল্পনাকারী জলঢাকা উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে আল মামুনকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করে।

ভারতে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টার

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী ও ভিসার মেয়াদ শেষেও যারা থেকে গিয়েছেন তাদের চিহ্নিত করে ডিটেনশন সেন্টারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বিশেষ ডিটেনশন সেন্টার। দিল্লি সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে এই ডিটেনশন সৈন্টার তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ ও জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়িতে তৈরি হবে এই ডিটেনশন সেন্টার।

সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর যে সব বাংলাদেশি থেকে  গেছেন তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর কিছু পদ্ধতিগত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলির কাছে। সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিকে ছয় মাসের বেশি জেলে রয়েছে এমন বাংলাদেশির সংখ্যাও জানাতে বলা হয়েছে। ভারতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর যে ঘোষণা নির্বাচনের সময় বিজেপির নেতারা দিযেছিলেন সেই কাজ মোদী সরকার শুরু করে দিয়েছে। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর ধরে নিয়েই তা করা হচ্ছে খুব ধীর গতিতে। অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী চিহ্নিত করার জন্য জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যে সব রাজ্যে এই জনসংখ্যাপঞ্জী তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে সেই সব রাজ্যকেও আরেকবার তা ভালভাবে যাচাই করে দেখতে বলা হযেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে  ডিটেনশন সেন্টারে সব বাংলাদেশি বন্দীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর তাই দ্রুত ডিটেনশন সেন্টার তৈরির জন্য পূর্ত বিভাগকে তাগিদ দেওয়া হযেছে। পশ্চিমবঙ্গের জেলগুলিতে (১লা মে পর্যন্ত) ৩৩১৪ জন বাংলাদেশি বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫১ জন সাজার মেয়াদ শেষ করার পরেও জেলে থেকে গিযেছেন। তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়নি নানা আইনি জটিলতার জন্য। এছাড়া জেলে রয়েছে ৯৮৮ জন সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি এবং ১৫০৯ জন বিচারাধনি বাংলাদেশি। এই সব বন্দীদের সঙ্গে জেলে রয়েছে ১৬৬ জন শিশুও। জানা গেছে, সরকার বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় জেলে একবছরের বেশি সময় থাকা বাংলাদেশি বন্দীদেও ফেরত পাঠানোর ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে হাসিনা-মোদি প্রথম বৈঠক

Details

অনলাইন ডেস্ক,ন্যাশনালনিউজ: সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে তাদের প্রথম বৈঠক। জাতিসংঘের নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি একে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘বৈঠক হবে। এজন্য প্রস্তুতি চলছে।’ আগের মেয়াদে শেখ হাসিনা যতবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়েছেন ততবারই ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সাথে বৈঠক করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানান, শেখ হাসিনা ও মোদির প্রথম বৈঠকে সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও তিস্তা চুক্তি ও স্থল সীমান্ত চুক্তিসহ বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো উত্থাপন করা হবে।মোদির শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার সরকার প্রধানরা উপস্থিত থাকলেও সে সময় জাপান সফর নির্ধারিত থাকায় দিল্লি যেতে পারেননি শেখ হাসিনা। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী, যে দেশটির সাথে ঐতিহ্যগতভাবেই পার্শবর্তী কোনো দেশের সম্পর্ক উষ্ণ নয়। স্থল সীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে মোদি আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। আগামী ডিসেম্বরে মোদির বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।

   

ফটো গ্যালারি

   

Chairman: D.Farid Uddin Farid, (Chairman Bangladesh Hwman Rights Council), Editor: Main Uddin Bhuyan,Legal adviser Advocate kazi Rubayad hasan Sayeem,91/2,Wireless,Moghbazar,01842553366,Email: nationalnewsbangladesh@gmail.com

   
© ALLROUNDER